কার্যকর যোগাযোগের (Effective Communication) অন্যতম মূলনীতি হলো—বক্তা যা বলছেন, শ্রোতা তা সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারছেন কি না, তা নিশ্চিত করা।
শ্রোতার বুঝার সুবিধার্থে বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করার কিছু বিশেষ দিক ও সুফল নিচে আলোচনা করা হলো:
১. ভুল বোঝাবুঝি দূর হয়: অনেক সময় পারিপার্শ্বিক শব্দ, অমনযোগ বা উচ্চারণের অস্পষ্টতার কারণে শ্রোতা ভুল শুনতে পারেন। পুনরাবৃত্তি করলে সেই শঙ্কা থাকে না।
২. স্মৃতিতে গেঁথে দেওয়া: কোনো গুরুত্বপূর্ণ কথা একাধিকবার বললে তা শ্রোতার মনে গেঁথে যায় এবং দীর্ঘসময় মনে থাকে।
৩. সহজীকরণ (Paraphrasing): পুনরাবৃত্তি করার সময় বক্তা যদি হুবহু আগের বাক্যটি ব্যবহার না করে কিছুটা সহজ শব্দে বা উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি বুঝিয়ে বলেন, তবে তা শ্রোতার জন্য আরও বেশি উপকারী হয়।
৪. শিষ্টাচার ও সুন্নাহ: ইসলামি শিষ্টাচারের দিকে তাকালেও আমরা এর গুরুত্ব দেখতে পাই। হাদিসে বর্ণিত আছে, হযরত আনাস (রাঃ) বলেন:
"রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন কোনো কথা বলতেন, তখন তিনি তা তিনবার পুনরাবৃত্তি করতেন, যাতে শ্রোতা তা ভালোভাবে বুঝতে পারে।" (সহীহ বুখারী)
তাই একজন ভালো বক্তার গুণ হলো তাড়াহুড়ো না করে শ্রোতার বোঝার সক্ষমতা অনুযায়ী ধীরস্থিরভাবে কথা বলা এবং প্রয়োজনে পুনরাবৃত্তি করা।
#ইসলামিক_একাডেমি_এনপি #হে_মুমিনগণ! #ইবনে_মাজাহ #হাদীস_বিশ্ব_নবীর_বাণী #সুনানে_ইবনে_মাজাহ #রিয়াদুস_সালেহীন #মুহাম্মদের_বাণী
0 Comments