ইসলামী জীবনবিধান অনুযায়ী পবিত্রতা ইমানের অঙ্গ। নারীদের বিশেষ দিনগুলোতে (হায়েয বা ঋতুস্রাবকালীন) ইবাদত-বন্দেগির ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও দৈনন্দিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বা সাজসজ্জার বিষয়ে অনেকের মনেই নানা প্রশ্ন জাগে। এর মধ্যে একটি সাধারণ প্রশ্ন হলো— "হায়েয অবস্থায় চুলে কলপ, রঙ বা মেহেদি লাগানো কি জায়েজ?" আজ আমরা ইসলাম একাডেমি এনপি ব্লকের এই নিবন্ধে কুরআন-সুন্নাহ ও ফিকহ শাস্ত্রের আলোকে বিষয়টি পরিষ্কার করার চেষ্টা করব। (ইবনে_মাজাহ ১১৩)
সতর্কতা: কলপের উপাদানের দিকে খেয়াল রাখুন
চুলে কলপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে দুটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
১. আবরণ তৈরি করে কি না: যদি কলপটি এমন হয় যা প্লাস্টিক বা নেইলপলিশের মতো চুলের ওপর ঘন আস্তরণ তৈরি করে এবং পানি পৌঁছাতে বাধা দেয়, তবে তা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এতে পবিত্রতার গোসল সম্পন্ন হবে না। তবে সাধারণ মেহেদি বা লিকুইড হেয়ার কালারে কোনো সমস্যা নেই।
২. কাল রঙের ব্যবহার: ইসলামে একদম কুচকুচে কালো কলপ ব্যবহার করাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে (অনেক ওলামায়ে কেরামের মতে এটি মাকরূহে তাহরিমি)। তাই কালোর পরিবর্তে গাঢ় খয়েরি বা অন্য কোনো মার্জিত রঙ ব্যবহার করা উত্তম।
উপসংহার:
পরিশেষে বলা যায়, পিরিয়ড বা হায়েয অবস্থায় চুলে কলপ বা মেহেদি লাগানোতে কোনো বাধা নেই। তবে ব্যবহারের সময় উপাদানগুলো যেন প্রাকৃতিক বা শরীয়তসম্মত হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। দ্বীনি বিষয়ে সঠিক জ্ঞান অর্জনই পারে আমাদের ভুল ধারণা থেকে মুক্ত রাখতে।
পরিশেষে বলা যায়, পিরিয়ড বা হায়েয অবস্থায় চুলে কলপ বা মেহেদি লাগানোতে কোনো বাধা নেই। তবে ব্যবহারের সময় উপাদানগুলো যেন প্রাকৃতিক বা শরীয়তসম্মত হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। দ্বীনি বিষয়ে সঠিক জ্ঞান অর্জনই পারে আমাদের ভুল ধারণা থেকে মুক্ত রাখতে।
.jpg)
0 Comments